মডেল: বর্তমান বিভাগ
পাঠ্য বিষয় শিরোনাম: বড়ো অপবিত্রতা ও গোসলের বিবরণ
অন্য একজন ছাত্রকে গণনা করুন। এই পাঠ্য বিষয়টি সম্পূর্ণ করুন
গোসল অপরিহার্য হওয়ার কতকগুলি কারণ
১। বীর্য স্খলন হওয়ার বিধান
২। স্ত্রী-পুরুষের যৌন সংসর্গ বা সহবাস
৩। মহিলাদের মাসিক ঋতুস্রাব এবং নিফাস বা সন্তান প্রসবের পরের রক্তস্রাব
যে সব মহিলার মাসিক ঋতুস্রাব এবং নিফাস বা সন্তান প্রসবের পর রক্তস্রাব চলতে থাকে, তাদেরকে নামাজ ও রোজা রাখার বিষয়ে প্রকৃত ইসলাম ধর্মের পক্ষ থেকে অনেক ছাড় দেওয়া হয়েছে। সুতরাং যে সব মহিলার মাসিক ঋতুস্রাব এবং নিফাস বা সন্তান প্রসবের পর রক্তস্রাব হবে, তারা নামাজ পড়বে না এবং রোজাও রাখবে না। তবে তারা যখন মাসিক ঋতুস্রাব অথবা সন্তান প্রসবজনিত স্রাব হতে পবিত্র হবে, তখন তারা রোজা রাখবে। আর তারা তাদের রমাজান মাসের ছুটে যাওয়া রোজা রমাজান মাসের পর অন্যান্য দিবসে কাজা করবে।
যখন কোনো মহিলার মাসিক ঋতুস্রাব চলতে থাকবে, তখন তার স্বামী তার সাথে যৌনসঙ্গম করতে পারবে কি না?
প্রকৃত ইমানদার মুসলিম ব্যক্তি জুনুবি হলে বা বড়ো অপবিত্রতায় উপনীত হলে পবিত্রতা অর্জনের ইচ্ছায় সে তার সারা শরীর পবিত্র পানি দিয়ে ধৌত করবে। আর এটিাই তার জন্য যথেষ্ট হবে।
তবে প্রকৃত ইমানদার মুসলিম ব্যক্তির জন্য আল্লাহর বার্তাবহ রাসূল বিশ্বনাবী মুহাম্মাদ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর গোসল করার পদ্ধতি মোতাবেক গোসল করাই হলো সর্বোত্তম গোসল। সুতরাং প্রকৃত ইমানদার মুসলিম ব্যক্তি যখন জুনুবি অবস্থা হতে বা বড়ো অপবিত্রতা হতে পবিত্রতা অর্জন করার জন্য গোসল করবে, তখন সে সর্বপ্রথমে কব্জি পর্যন্ত দুই হাত ধৌত করবে। তারপর সে তার লজ্জাস্থান ও তার আশেপাশের বা চারিদিকের ময়লা দূরীভূত করবে। অতঃপর সে সম্পূর্ণরূপে নামাজের জন্য ওজু করার মতো ওজু করবে। তারপর পবিত্র পানি দিয়ে সে নিজের মাথা তিনবার ধৌত করবে এবং সারা শরীর ধৌত করবে।
আর প্রকৃত ইমানদার মুসলিম ব্যক্তি যখন জুনুবি বা বড়ো অপবিত্রতা থেকে গোসল করে পবিত্রতা অর্জন করবে, তখন তার জন্য ফরজ গোসলই যথেষ্ট হবে। সুতরাং তার জন্য ফরজ গোসলের সাথে ওজু করা জরুরি নয়। তবে জেনে রাখতে হবে যে, সর্বোত্তম ফরজ গোসল হলো সেই গোসল, যে গোসলে ওজু থাকে। যেহেতু আল্লাহর বার্তাবহ রাসূল বিশ্বনাবী মুহাম্মাদ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এর গোসল করার পদ্ধতি মোতাবেক গোসল করাই হলো সর্বোত্তম গোসল। আর তাঁর ফরজ গোসলের অন্তর্ভুক্ত হতো ওজু।