শিখতে থাকুন

আপনি তো নিবন্ধিত হননি।
শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট “তা প্ল্যাটফর্ম” টিতে আপনি এখনই নিবন্ধন করুন, এর দ্বারা আপনার অগ্রগতিকে অঅপনি ধরে রাখতে পারবেন, আপনার সাংকেতিক চিহ্ন বা পয়েন্টগুলির সংখ্যা একত্রিত করতে পারবেন এবং বিভিন্ন প্রকারের প্রতিযোগিতায় আপনার প্রবেশের সুযোগ হবে। তাই এই শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট “তা প্ল্যাটফর্ম” টিতে আপনি নিবন্ধিত হন, আপনি সেই পাঠ্য বিষয়গুলিতে একটি বৈদ্যুতিন সার্টিফিকেট পাবেন, যে পাঠ্য বিষয়গুলির আপনি জ্ঞান লাভ করবেন।

মডেল: বর্তমান বিভাগ

পবিত্রতা অর্জনের বিশেষ অবস্থা

পাঠ্য বিষয় পবিত্রতা অর্জনের বিশেষ অবস্থা

পাঠ্য বিষয়ের তথ্য

‎ প্রকৃত ইসলাম ধর্ম পায়ে পরিধানকৃত চামড়ার বা কাপড়ের মোজা এবং পটি বা ‎ব্যাণ্ডেজের উপরে মাসাহ করা বৈধ করেছে। আর যার প্রতি প্রকৃত ইসলামের ‎বিধিবিধান বাস্তবায়িত হয়েছে তার সুবিধার্থে এবং তার সহযোগিতার জন্য বিশেষ ‎অবস্থায় তায়াম্মুম বৈধ করেছে। এই অনুচ্ছেদে আপনি পায়ে পরিধানকৃত চামড়ার বা ‎কাপড়ের মোজা এবং পটি বা ব্যাণ্ডেজের উপরে মাসাহ করা আর বিশেষ অবস্থায় ‎তায়াম্মুম করার গুরুত্বপূর্ণ বিধিবিধান জানতে পারবেন।

উদ্দেশ্য

  • চামড়ার এবং কাপড়ের মোজার‎ উপরে মাসাহ করার অবস্থার বিষয়ে‎ জ্ঞান লাভ করা।
  • পটি বা ব্যাণ্ডেজের উপরে মাসাহ করার বিধিবিধান জানা।
  • তায়াম্মুম ও তার পদ্ধতির জ্ঞান লাভ করা।
جنى نايف الغامدي
Mohamed Iqbal Fathima Ilma
كوثر وليد الطحان
إسراء مجدي محمود توفيق
موسى رابع محمد عثمان

অন্য একজন ছাত্রকে গণনা করুন। এই পাঠ্য বিষয়টি সম্পূর্ণ করুন

‎ চামড়ার বা কাপড়ের মোজার উপর মাসাহ করার বিধান

প্রকৃত ইসলাম ধর্মের উদারতার মধ্যে রয়েছে এই বিষয়টি যে, প্রকৃত ইমানদার মুসলিম ‎ব্যক্তি ওজু করার সময় পা ধৌত করার পরিবর্তে পানি দিয়ে তার ভিজা হাত দ্বারা পায়ে ‎পরিধানকৃত চামড়ার বা কাপড়ের মোজা বা জুতার উপরে মাসাহ করতে পারবে ‎কতকগুলি শর্তসাপেক্ষ। ‎

প্রকৃত ইসলাম ধর্মের শিক্ষা মোতাবেক মোজার উপর কখন মাসাহ করা বৈধ হয়?‎

প্রকৃত ইসলাম ধর্মের শিক্ষা মোতাবেক ওজু করার সময় চামড়ার বা কাপড়ের মোজার ‎উপর ওই সময় মাসাহ করা বৈধ হয়, যখন বড়ো ও ছোটো অপবিত্রতা থেকে পবিত্র ‎অবস্থায় সেই চামড়ার বা কাপড়ের মোজা পরিধান করা হয়।

প্রকৃত ইসলাম ধর্মের শিক্ষা মোতাবেক ওজু করার সময় চামড়ার বা কাপড়ের মোজার ‎উপর ওই সময় মাসাহ করা বৈধ হয়, যখন বড়ো ও ছোটো অপবিত্রতা থেকে পবিত্র ‎অবস্থায় সেই চামড়ার বা কাপড়ের মোজা পরিধান করা হয়।

চামড়ার বা কাপড়ের মোজার উপর মাসাহ করার সময়সীমা ‎

মুকিমের জন্য এক দিন এক রাত (24 ঘন্টা)‎
মুসাফিরের জন্য বা ভ্রমণকারীর জন্য তিন দিন এবং তিন রাত (72 ঘন্টা)‎

ওজু করার সময় মোজার উপর মাসাহ করা সঠিক বলে বিবেচিত ‎হয়। কিন্তু জুনুবি ‎অবস্থা হতে পবিত্রতা অর্জন করার জন্য ফরজ ‎গোসল করার সময় দুই পা ধৌত করা ‎ওয়াজিব বা অপরিহার্য।

চামড়ার এবং কাপড়ের মোজার উপরে মাসাহ করার সময় শুরু ‎হবে ওজু নষ্ট হওয়ার পর প্রথম মাসাহ করার সময় থেকে। ‎

পটি বা ব্যাণ্ডেজের উপর মাসাহ করার বিধান

আর পটি বা ব্যাণ্ডেজ হলো এমন একটি বস্ত যা ভাঙ্গা মচকা বা ‎জখমের উপর ব্যবহার করা হয় আরোগ্য লাভের উদ্দেশ্যে অথবা ‎যন্ত্রণা বা ক্লেশ কম করার উদ্দেশ্যে।

আর পটি বা ব্যাণ্ডেজ হলো এমন একটি বস্ত যা ভাঙ্গা মচকা বা ‎জখমের উপর ব্যবহার করা হয় আরোগ্য লাভের উদ্দেশ্যে অথবা ‎যন্ত্রণা বা ক্লেশ কম করার উদ্দেশ্যে।

ওজু করার সময় অথবা জুনুবি ‎অবস্থা হতে পবিত্রতা অর্জন করার ‎জন্য ফরজ গোসল করার সময় পানি দিয়ে ভিজা হাত দ্বারা ‎প্রয়োজনে পটি বা ব্যাণ্ডেজের উপরে মাসাহ করা বৈধ ও ‎গ্রহণযোগ্য হবে। ‎

পটি বা ব্যাণ্ডেজের উপরে কিভাবে মাসাহ করতে হবে?‎

এই ক্ষেত্রে মুসলিম ব্যক্তির কর্তব্য হলো এই যে, যে অঙ্গ প্রকাশ ‎পাবে, সেই অঙ্গকে সে ধৌত করবে এবং পানি দিয়ে ভিজা হাত ‎দ্বারা সে তার ওই অঙ্গের উপরে মাসাহ করবে, যে অঙ্গের উপরে ‎তার পটি বা ব্যাণ্ডেজ থাকবে।

এই ক্ষেত্রে মুসলিম ব্যক্তির কর্তব্য হলো এই যে, যে অঙ্গ প্রকাশ ‎পাবে, সেই অঙ্গকে সে ধৌত করবে এবং পানি দিয়ে ভিজা হাত ‎দ্বারা সে তার ওই অঙ্গের উপরে মাসাহ করবে, যে অঙ্গের উপরে ‎তার পটি বা ব্যাণ্ডেজ থাকবে।

পটি বা ব্যাণ্ডেজের উপরে মাসাহ করার সময়সীমা

এই বিষয়ে মুসলিম ব্যক্তি তার পটি বা ব্যাণ্ডেজের উপরে মাসাহ ‎করতে থাকবে যদিও তা লম্বা সময় ধরে হয়। সুতরাং পটি বা ‎ব্যাণ্ডেজের উপরে মাসাহ করার যতো দিন প্রয়োজন হবে, তত দিন ‎সে তার উপরে মাসাহ করতে থাকবে। আর যখন তার পটি বা ‎ব্যাণ্ডেজের উপরে মাসাহ করার প্রয়োজন হবে না, তখন সে তার ‎পটি বা ব্যাণ্ডেজ সরিয়ে ফেলে দিবে এবং তার অঙ্গ ধৌত করবে। ‎

তায়াম্মুম করার বিধান

যখন কোনো মুসলিম ব্যক্তি অসুস্থতার কারণে অথবা পানির ‎অভাবের কারণে ওজু বা গোসলের জন্য পানি ব্যবহার করতে ‎অক্ষম হবে কিংবা শুধুমাত্র পানি পান করার জন্য থাকবে, তখন সে ‎এই ক্ষেত্রে পানি না পাওয়া পর্যন্ত এবং পানি ব্যবহারে সক্ষম না ‎হওয়া পর্যন্ত পবিত্র মাটি দিয়ে তায়াম্মুম করতে থাকবে। ‎

তায়াম্মুম করার পদ্ধতি

১।

মুসলিম ব্যক্তি দুই হাত মাটিতে একবার মারবে। ‎

মুসলিম ব্যক্তি দুই হাত মাটিতে একবার মারবে। ‎

২।

দুই হাতে মাটির যে অংশ লেগেছে, তা দিয়ে মুখমণ্ডলে মাসাহ ‎করবে।

দুই হাতে মাটির যে অংশ লেগেছে, তা দিয়ে মুখমণ্ডলে মাসাহ ‎করবে।

৩।

বাম হাতের তালু দিয়ে ডান হাতের উপরের অংশে মাসাহ করবে এবং ডান হাতের তালু দিয়ে বাম হাতের উপরের অংশে মাসাহ ‎করবে। ‎

বাম হাতের তালু দিয়ে ডান হাতের উপরের অংশে মাসাহ করবে এবং ডান হাতের তালু দিয়ে বাম হাতের উপরের অংশে মাসাহ ‎করবে। ‎

আপনি পাঠ্য বিষয়টি সফলভাবে শেষ করেছেন।


পরীক্ষা শুরু করুন